বিশ্বজিতের হত্যাকারীরাই অভিজিতের খুনি

নিউ ইয়র্ক: বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাদেক হোসেন খোকা বলেছেন, ‘বাংলাদেশে জঙ্গি রয়েছে পশ্চিমাদের এটা বোঝানোর জন্যই সংখ্যালঘু এবং ইসলাম বিদ্বেষী অভিজিৎ রায়কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের গুণ্ডা-পাণ্ডারাই জড়িত। যারা বিশ্বজিৎকে হত্যা করেছিল, তারাই অভিজিৎ রায়কে খুন করেছে।’

গত রোববার সন্ধ্যায় নিউ ইয়র্কের জ্যাকসন হাইটেসের একটি রেস্তোরাঁয় যুবদল আয়োজিত এক প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

খোকা বলেন, ‘সরকার শুধুমাত্র ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিচার বিভাগকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার বেগম খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার করার জন্য বাংলাদেশের আদালতকে ব্যবহার করে তার গুলশানের কার্যালয় তল্লাশি করার আদেশ নিয়েছেন। ইয়াহিয়ার শাসনামলেও আমরা এমন আইন দেখিনি। দুর্ভাগ্য বাংলাদেশের মানুষকে আজ এটাও দেখতে হলো।’

তিনি বলেন, ‘সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বর্তমানে ১৪ দল নেতা মোহাম্মদ নাসিমের নির্দেশেই শেখ হাসিনার সরকার মুক্তমনার ব্লগার অভিজিৎ রায়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মোহাম্মদ নাসিম যখন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তখন তিনি চিহ্নিত সন্ত্রাসী এবং সর্বহারাদের সঙ্গে আপোষ করে তাদের জেলখানা থেকে ছেড়ে দিয়েছিলেন। তাদের সঙ্গেই মোহাম্মদ নাসিমের যোগাযোগ ছিল। নাসিমের নির্দেশেই সেই সব দুষ্কৃতিকারী ও সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে অভিজিৎকে খুন করে বর্তমান আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করা ষড়যন্ত্র করছে সরকার।’

যুক্তরাষ্ট্র যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ আহমেদের সভাপতিত্বে এবং রেজাউল আজাদ ভুইয়া ও শেখ হায়দার আলীর পরিচালনায় প্রতিবাদ সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জিল্লুর রহমান জিল্লু, ঢাকা মহানগর মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা ফরিদা ইয়াসমিন, যুবদল সহ-সভাপতি আহবাব চৌধুরী খোকন, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সারোয়ার খান বাবু, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল কুদ্দুস, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, সালেহ আহমেদ মানিক, কানেকটিকাট বিএনপির সভাপতি এম এ বাসিত, বিএনপি নেতা আবু সুফিয়ান, জাতীয়তাবাদী ফোরামের সাবেক সভাপতি রাফেল তালুকদার, বিএনপি নেতা জাফর তালুকদার, এবাদ চৌধুরী ও আবুল হাশেম শাহদাত।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শামীম মাহমুদ, সোয়েব চৌধুরী, জাহিদ খান, কাজী আমিনুল হক স্বপন, আফরোজা বেগম রোজি, হামিদুর রহমান হামিদ, মজিবুর রহমান, মাসুক আহমেদ, ইকবাল হায়দার, ফয়েজ আহমেদ চৌধুরী প্রমুখ।

২৫ thoughts on “বিশ্বজিতের হত্যাকারীরাই অভিজিতের খুনি

Leave a Reply to Rasul Nimer Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.