কাঁটাতারের দুই পাশে হাসি-কান্না

দুইপাশেই কাঁটাতার। কেউ কাউকে স্পর্শ করতে পারছে না, শুধু দেখতেই পাচ্ছে। প্রিয়মুখগুলো দেখে অনেকেই আবেগআপ্লুত হয়ে কান্না করছেন, কারো বা চোখেমুখে খুশির ঝিলিক।

বুধবার সকালে জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার গেন্দুকুঁড়ি সীমান্তে এমনই আবেগঘন পরিবেশ তৈরি হয় ভারত-বাংলাদেশি আত্মীয়স্বজনের মধ্যে।

শ্যামাপূজা উপলক্ষে ভারত-বাংলাদেশের আত্বীয়স্বজনদের দেখা করার সুযোগ করে দেয় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) ও ব্রডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সেই সুযোগে কাঁটাতারের সীমান্তে সমবেত হয়েছিল হাজারো মানুষ।

এ সময় ভারতে থাকা নাতিকে ওপারে দেখতে পেয়ে হাতীবান্ধার ধওলাই গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা চন্দনা দাস বলেন, আমরা গরিব মানুষ তাই পাসপোর্ট ও ভিসা করে ভারতে যাওয়ার সামর্থ্য নেই। এভাবে প্রতিবছর আমাদের একটু দেখা করার সুযোগ দিলে ওইটুকুই আমাদের একমাত্র সান্তনা।

এ কথা শুধু চন্দনা দাসেরই নয়, ওই মিলন মেলায় আসা অনেকেরই। তারা প্রতিবছর এমন সুযোগ অব্যাহত রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

এদিকে, সীমান্তের দুই পাশে সমবেত হওয়া স্বজনদের মিষ্টি, কাপড়সহ নানা সামগ্রী বিনিময় করতে দেখা গেছে। এসব জিনিসপত্র তারা কাঁটাতারের উপর দিয়ে বিনিময় করে। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে এই মিলন মেলা।

৫ thoughts on “কাঁটাতারের দুই পাশে হাসি-কান্না

Leave a Reply to Laltu Hossain Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.