চ্যানেল আই এর ‘তৃতীয় মাত্রায়’বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক লে. কর্নেল এম. এ. লতিফ খাঁন (অব.) বলেছেন,
‘১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বেগম জিয়া ও শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে চেয়েছিল, তাদের উপর ‘শুট টু কিল’ অর্ডার ছিল’ তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর সারা জীবন ই ছিল গণতন্ত্র, গণতন্ত্র, আবার এই গণতন্ত্রকেই বঙ্গবন্ধু হত্যা করলেন বাকশাল তৈরি করে। তার কন্যা শেখ হাসিনা এই যে গত ইলেকশন হল, বলল এটা ধারাবাহিকতার ইলেকশন , সাংবিধানিকের জন্য এটা করছি যাতে সাংবিধানিক শূন্যতা না হয়, তারপরে আমরা আরেকটা ইলেকশন দিয়ে ভ্যরিফাই করবো এবং সমস্থ মন্ত্রীরা ও তাই বললেন।
এখন সুরটা চেঞ্জ হয়ে গেল। আওয়ামীলীগ সব সময় রক্তের উপর রাজনীতি করে এসেছে। বঙ্গবন্ধুর লাশের উপরে খন্দকার মুস্তাক বঙ্গভবনে শপথ নিয়েছিল, সেদিন বঙ্গবন্ধুর নামটা নিতে ভুলে গিয়েছিলো, আমি মনে করিয়ে দিয়েছিলাম। আমি বলেছিলাম তাকে নামাজের সময় বঙ্গবভন মসজিদে বঙ্গবন্ধুর রূহের মাগফেরাতের জন্য দোয়া করেন। আমাদের প্রেসিডেন্ট সাহেব ও লাশের মধ্যে শপথ নিয়েছেন। রানা প্লাজা ধ্বংসের সময় দ্বিতীয় দিন। আমাদের যে স্পীকার শিরীন শারমিন উনিও।
তিনি আরো বলেন, প্রেসিডেন্ট এরশাদ আমাকে চাইলে ফাঁসী দিতে পারতো, তার অর্ডার অমান্য করায়। ১৯৮১ সনের পরে আওয়ামীলীগ কোথায় চলে গিয়েছিলো, ইঁদুরের গর্তে। শেখ হাসিনা এসে যখন হাল ধরলেন প্রেসিডেন্ট এরশাদ যখন ইলিগ্যলি টেইক ওভার করলেন পাওয়ার জাস্টিজ সাত্তারের কাছে এই দুই চোখে দেখেছি। উনার (প্রেসিডেন্ট এরশাদের) যদি বিচার হতো তাহলে এই দেশের ইতিহাস চেঞ্জ হয়ে যেতো, ওয়ান ইলিভেন হতো না।
আইয়ুব খান শেখ মুজব কে ষড়যন্ত্র করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দিয়ে মাইনাস করতে চেয়েছিলেন। ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু কে মাইনাস করতে চেয়েছিলেন বন্দিশালায়। ‘১৯৮৩ সালে প্রেসিডেন্ট হুসাইন মোহাম্মদ এরশাদ বেগম জিয়া ও শেখ হাসিনাকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করতে চেয়েছিল, তাদের উপর ‘শুট টু কিল’ অর্ডার ছিল। আমি কর্নেল লতিফ সেদিন টিগার প্রেস করিনি। যখন আমাকে জেনারেল রহমান যখন আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি বলছি স্যার পুলিশ ছিল দাঁড়ায়ে, বিডিআর ছিল দাঁড়ায়ে, জনগণের লাস্ট জায়গা হল আমি আর্মি, জনগণকে গুলি করার জন্য আমি আর্মি না স্যার।
স্যার তারা লিগ্যাল ডেমোক্রেটের জন্য ফাইট করতেছে। এজন্য আমি গুলি করিনি এবং তার জন্য আমাকে জবাবদিহি করতে হয়েছে। তারপর আমাকে খেসারত দিতে হয়েছে। এ জন্য আমাকে আর্মিতে সাইড লাইনে রাখা হয়েছে।
এআর


Anjana Alam liked this on Facebook.
Abdullah Al-Fattah Riyad liked this on Facebook.
Md Nurullah liked this on Facebook.
Rabiul Awal Sarkar liked this on Facebook.
Elias Ali Prodhania liked this on Facebook.
Gaffar Ali liked this on Facebook.
Moin Ahmed liked this on Facebook.
Ishaque Meah liked this on Facebook.
Sarowar Islam liked this on Facebook.
Noman Hossain liked this on Facebook.
Md Azizul liked this on Facebook.
Mizanur Rahaman liked this on Facebook.
Nurul Absar Shohel liked this on Facebook.
Md Nasir liked this on Facebook.
Monju Jahed liked this on Facebook.
Abdul Momin liked this on Facebook.
Md Kamrul Md Kamrul liked this on Facebook.
Rashed Khan liked this on Facebook.
M NA Sohel liked this on Facebook.