সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইয়ের সমুদ্রসৈকতে চার শিশুকে নিজের প্রাণের বিনিময়ে বাঁচানো বাংলাদেশি গৃহকর্মী সুফিয়া আকতারের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তার গ্রামে একটি হাইস্কুল বানানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটি। আমিরাতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও দুবাইয়ের প্রশাসক শেখ মোহাম্মদ বিন রাশিদের সহায়তা সংস্থা ‘দুবাই কেয়ার’ ব্যয়ভার বহন ও তত্ত্বাবধান করবে। ইতিমধ্যে সুনামগঞ্জে ভাটাপাড়ায় জমি কেনা ও অন্যান্য কাজের জন্য দুবাই কেয়ারের প্রধান নির্বাহী সফরও করে গেছেন। ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করে আমিরাতে আলোড়ন সৃষ্টি করা সুফিয়াকে এর আগে দুবাই টিভিসহ আরও কয়েকটি সংস্থার পক্ষ থেকে মরণোত্তর সম্মাননাও দেওয়া হয়েছে। দুবাই কেয়ারের প্রধান নির্বাহী তারিক আল গার্গ জানান, আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি সুফিয়া আকতারের গ্রামের শিশুদের উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষার জন্য দূরের গ্রামে যেতে হয়। তাই সুফিয়ার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে হাইস্কুল বানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। স্কুল স্থাপনের জমি কেনা, ভবন নির্মাণ, ফার্নিচারসহ সব অবকাঠামোগত ব্যয় দুবাই কেয়ার বহন করবে। পরবর্তী পাঁচ বছর শিক্ষকদের বেতন-ভাতাসহ অন্যান্য ব্যয়ও বহন করা হবে। জানা যায়, গৃহকর্মী হিসেবে আমিরাত যাওয়া সুফিয়া প্রায় চার বছর ধরে দুবাইয়ের নাগরিক আবু আবদুল্লাহর দুই ছেলেমেয়েকে দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছিলেন। এই দুই শিশুকে সঙ্গে নিয়েই ২০১৪ সালের অক্টোবরের এক বিকালে সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে যান সুফিয়া। সুফিয়ার তত্ত্বাবধানের থাকা দুজনসহ মোট চার শিশু হঠাৎ করে সমুদ্রের দিকে দৌড় দেয় এবং উত্তাল ঢেউয়ের মধ্যে পড়ে। তাদের তাত্ক্ষণিকভাবে উদ্ধারে সমুদ্রে নেমে যাওয়া সুফিয়া চার শিশুকে উদ্ধার করতে পারলেও আর নিজে উঠতে পারেননি। পরে উদ্ধারকর্মীরা এসে তার লাশ উদ্ধার করেন।
Related Posts
বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার নিয়ে সরকারের আপিল খারিজ
- Ayesha Meher
- মে ২৪, ২০১৬
- 1 min read
ঢাকা : ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারা (বিনা পরোয়ানায় গ্রেপ্তার) ও ১৬৭ ধারায় আসামিকে হেফাজতে নিয়ে…
আর চাপ সহ্য করতে পারছি না
- Ayesha Meher
- নভেম্বর ৪, ২০১৫
- 1 min read
রাজধানীর রমনা থানাধীন অজয় রায়ের ইস্টার্ন হাউজিংয়ের বাসায় গিয়ে তার সঙ্গে কেউ সাক্ষাৎ করতে চাইলেই…
বন্ধু ও প্রভু-ভৃত্যের সম্পর্কের পার্থক্য
- Ayesha Meher
- অক্টোবর ১, ২০১৫
- 1 min read
বন্ধু ও প্রভু-ভৃত্যের সম্পর্কের মধ্য পার্থক্য থাকবে। কিন্তু দুই বন্ধু যদি দুইটি অসম পরিবার থেকে…

